জাগাও কবিকে, ও সে ঘুমে অচেতন
হাসপাতালে মারাত্মক রোগযন্ত্রণায় কেটেছে জীবনের শেষ কয়েকটি মাস। কথা বলা, গান গাওয়া বন্ধ হয়ে গিয়েছিল চিরতরে। তবু তাঁর গানে, কবিতায় অশেষ সমর্পণ আর শরণাগতি। ২৬ জুলাই ছিল রজনীকান্ত সেনের জন্মদিন। লিখছেন শিশির রায়।ডোভার লেনের এই শান্ত, চুপচাপ, একতলা বাড়িটা থেকে ঢিল ছোড়া দূরত্বে কাজফেরতা সান্ধ্য বিনোদন, পানভোজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে আর একটা কলকাতা। আর এই ঘরে, চেয়ারে বসে আছেন যে মানুষটা, তাঁর বয়স একশো এক পেরিয়ে দুই। রজনীকান্ত সেনের সার্ধশতবর্ষ পেরিয়েছে গত বছর, আর আমার চোখের সামনে এক জীবন্ত শতবর্ষ!
আপনিই বলে দিন, কী লিখব আপনার দাদুকে নিয়ে। কী লেখা উচিত, বলুন।
‘‘রজনী সেনের মতো এক জন মানুষ কী খেতেন, কী পরতেন, এই সব লেখার জিনিস নয়। লিখলে ওঁর গান নিয়ে লিখতে হয়। ওঁর ভাব নিয়ে, ওঁর গানের কথায় সমর্পণ, ভক্তি নিয়ে লিখতে হয়। ওঁর সুরে বৈচিত্র নেই, রামপ্রসাদ থেকে কাঙাল হরিনাথ, প্রচলিত সবার সুর নিয়েছেন। নিয়ে মিশিয়েছেন নিজের সারল্য, শরণাগতি। এগুলো ধরতে পারলেই রজনী সেনকে ধরা যাবে।’’জুলাইয়ের সন্ধে নেমে এসেছে তখন। ডোভার লেনের এই শান্ত, চুপচাপ, একতলা বাড়িটা থেকে ঢিল ছোড়া দূরত্বে কাজফেরতা সান্ধ্য বিনোদন, পানভোজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে আর একটা কলকাতা। আর এই ঘরে, চেয়ারে বসে আছেন যে মানুষটা, তাঁর বয়স একশো এক পেরিয়ে দুই। রজনীকান্ত সেনের সার্ধশতবর্ষ পেরিয়েছে গত বছর, আর আমার চোখের সামনে এক জীবন্ত শতবর্ষ! তাঁর বসার ভঙ্গি ঋজু, কণ্ঠস্বর অকম্প্র, আর স্মৃতিশক্তি? নিখুঁত, নির্ভুল, অবিরল কান্তকবিতা আরও পড়ুন....

0 মন্তব্যসমূহ